আজ থেকে প্রায় এক মাস আগে পুরাতন মালদার ভাবুক গ্রাম পঞ্চায়েতের খেড়িবাড়ি গ্রামকে দত্তক নিয়েছিল মালদা কলেজ। বর্ধমানের রাজ কলেজের পর মালদা কলেজের এই পদক্ষেপ ছিল রাজ্যে দ্বিতীয়। এই গ্রামে ৬০ টি ঘর। তার মধ্যে ২৬০ জন বাসিন্দার সবাই আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত। গ্রামটি দত্তক নেওয়ার পরেই মালদা কলেজ কর্তৃপক্ষের নজরে পড়েছিল গ্রামের মূল তিনটি সমস্যা। পানীয় জল, শৌচাগার ও বেহাল রাস্তা। মাত্র এক মাসের মধ্যেই পানীয় জলের সমস্যা মিটিয়ে ফেলেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ৯০ হাজার টাকায় তৈরি করে দেওয়া হয়েছে পানীয় জালাধার। শৌচাগারের সমস্যা মেটাতেও অগ্রনী ভূমিকা নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এদিন পানিয় জলাধারের উদ্ধোধনের সঙ্গে গ্রামের শৌচাগারের সমস্যা দূর করতেও এগিয়ে এসেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। গ্রামের প্রতিটি বাড়ির কর্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে শৌচাগারের প্যান ও সাইফন।
গ্রামের পানীয় জলের সমস্যা মিটেছে। মিটেছে শৌচাগারের সমস্যাও। সৌজন্যে মালদা কলেজ। তাই আজ নাচে গানে মেতে উঠল পুরাতন মালদার খেড়িবাড়ি গ্রাম। আদিবাসীদের সঙ্গে পা মেলালেন মালদা কলেজের শিক্ষিকারা। গলায় মাদল তুলে নিলেন শিক্ষক - শিক্ষা কর্মীরাও। সোমবার সতিই আগামীর পথে যাত্রা শুরু করল আদিবাসী অধ্যুষিত খেড়িবাড়ি। আর এদিনের সমস্ত ঘটনার সাক্ষী থাকলেন প্রশাসনিক কর্তারাও।